কাউখালীতে ফাঁদ পেতে মাছ নিধন বিলুপ্ত হচ্ছে দেশি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ – bnewsbd.com

সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিনিউজবিডি.ডটকম :

কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা : কাউখালীতে মৎস্য সংরক্ষণ আইন লংঘন করে অবাধে  মাছ নিধন  চলছে। বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ভিবিন্ন প্রকার দেশি প্রজাতির মাছ।উপজেলার হাট-বাজার গুলোতে অবাধে কেনাবেচা হচ্ছে এই সমস্ত মাছ নিধনের বিভিন্ন প্রকার ফাদঁ ও জাল। প্রশাসনের নাকের ডগায় উপজেলার সমস্ত হাট বাজারে অবৈধ ফাদঁ বিক্রি হলেও কখনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।মাছে ভাতে বাঙালি এই কথা শুধু কাগজে-কলমে রয়ে গেছে। দেশি প্রজাতির মাছ কমে যাওয়ায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্যে এখন আর মাছ খাওয়া জোটে না। বর্তমানে ১ শত ২৫ টাকা মূল্যের  চাই নামক মৎস্য নিধন ফাদঁটির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে এবং অবাধে  বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া  এই ফাঁদ দিয়ে সহজেই সর্বত্র মাছ নিধন করা যায়।
সরকার মাছ সংরক্ষণ ও নিধন রোদে বিভিন্ন সময়ে সময় উপযোগী আইন প্রণয়ন করলেও বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা ও  মৎস্য অধিদপ্তরের   উদাসীনতা এবং  দুর্নীতির ফলে সর্বত্র সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। সময় এর পরিবর্তে আজ দেশি প্রজাতির অনেক মাছ  
বিলুপ্তির পথে। একসময়ের সাধারণ মানুষের জনপ্রিয় মাছ ভেদা /রয়না,রাম টেংরা,গুলিসা টেংরা,পাবদা, দেশি প্রজাতির মাগুর, শিং, কৈ,শৌল, গজাল এখন আর  এই সমস্ত মাছ    অহ-রহ  পুকুর খাল বিলে আগের মত মিলছে না। এর মূল কারণ হচ্ছে মৎস্য আইন না মেনে অবৈধভাবে মাছ নিধন। বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য নিধন আইন ১৯৫০ এর ৩ নং অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত খাল বিল পুকুর নালায় অবৈধভাবে ফাদঁ পেতে মাছ নিধন করা যাবে না। এই সময়ে সব ধরনের মাছের বংশ বৃদ্ধির জন্য ডিম ছাড়ে। এই কারণে  জালের বেড়া়,বাসের গড়া,চাই,কাপড়ের বাধা সহ সব ধরনের ফাঁদ   পেতে  মা-মাছ  ও পোনা ধরা নিষিদ্ধধ করা হয়েছে। আইন অমান্য কারীর বিরুদ্ধে এক মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত সাজা ও অর্থ দণ্ডের বিধান রয়েছে। অথচ উপজেলার বেতকা,মেঘপাল,সুবিদপুর, মাগুরা, কাঠালিয়া,বিড়ালজুরি,  চিরাপাড়া,শিয়ালকাঠি, ফলইবুনিয়া়, জোলাগাতি সর্বত্রই মাঠে ও খালে অবাধে ফাঁদ  পেতে মাছ নিধন করা হলেও
কাউখালী মৎস্য অধিদপ্তরের  এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। কাউখালীতে চাই বিক্রি করতে আসা শ্রীরামকাঠীর হোসেন আলী জানান প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও বিক্রি করছেন,কেউ কখনো অবৈধ বলে আটক করে নাই। শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করে বলেন বাধা কারেন্ট নেট জাল সহ বিভিন্ন ফাঁদ দিয়ে মাছ নিধন করা হয়। মৎস্য কর্মকর্তা কে জানালে তিনি কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো জেলেদেরকে অভিযোগের বিষয়ে বলে দেন। যে কারণে আমাদেরকে বিপাকে পড়তে হয় যেহেতু  জেলেরাই  আমাদের ভোটার। এ ব্যাপারে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা ফনি ভূষণ  পাল জানান এক বছর চাকরি আছে তিনি কোন অনিয়ম এর সাথে জড়িত না সব সময় ভালো কাজ করার চেষ্টা করেন বালে দাবি করেন।  তবে বাজারে অবৈধ জাল অথবা  ফাঁদ  পাতার মালামাল পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা  নিবার্হী কর্মকর্তা মোছাঃ খালেদা খাতুন রেখা জানান অবৈধ ভাবে ফাঁদ পেতে মাছ ধরার বিষয় তার জানা নেই। তবে বাজারে খোঁজ নিয়ে পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বার্তা প্রেরক
এনামুল হক 

বিনিউজবিডি.ডটকম

আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে সংবাদ পরিবেশনে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নিয়ে “বিনিউজবিডি.ডটকম” বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা, উপজেলা, গ্রামে-গঞ্জে ঘটে যাওয়া দৈনন্দিন ঘটনাবলী যা মানুষের দৃষ্টি ও উপলব্ধিতে নাড়া দেয় এরূপ ঘটনা যেমন, শিক্ষা,স্বাস্থ্য, পরিবেশ, সামাজিক উন্নয়ন, অপরাধ, দুর্ঘটনা ও অন্যান্য যে কোন আলোচিত বিষয়ের দৃষ্টি নন্দন তথ্য চিত্রসহ সংবাদ পাঠিয়ে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে আত্ম প্রকাশ করুন।

প্রতি মুহুর্তের খবর মুহুর্তেই পাঠকের মাঝে পৌছে দেয়ার লক্ষ্য কাজ করে যাচ্ছে একঝাঁক সাহসী তরুণ সংবাদ কর্মী। এরই ধারাবাহিকতায় স্বল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ সহ দেশের বাহিরে বিভিন্ন দেশে সংবাদদাতা নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।

বিদেশের মাটিতে অবস্থানরত লেখা-লেখিতে আগ্রহী যে কোনো বাংলাদেশীও প্রবাসী নাগরিক “বিনিউজবিডি.ডটকম” এর সংবাদদাতা/প্রতিনিধি হিসেবে আবেদন করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *