বড় পদোন্নতি আসছে শিক্ষা ক্যাডারে – bnewsbd.com

শিক্ষা-সংস্কৃতি

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিনিউজবিডি.ডটকম :

নাজিউর রহমান সোহেল : প্রায় তিন বছর পর দেশের সবচেয়ে বড় ক্যাডার সার্ভিস ‘বিসিএস সাধারণ শিক্ষা’ ক্যাডারে পদোন্নতির জট খুলতে যাচ্ছে। পদোন্নতির সকল শর্ত পূরণ করেও বছরের পর বছর পদোন্নতি বঞ্চিত এ ক্যাডারের কর্মকর্তারা। এর মধ্যে কোনো কোনো ব্যাচের কর্মকর্তারা দেড় যুগ ধরে একই পদে কর্মরত আছেন। দীর্ঘদিন একই পদে কর্মরত থাকায় শিক্ষা ক্যাডারের মূল পদ সরকারি কলেজ শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। শিক্ষকদের দাবির প্রেক্ষিতে ঈদের আগেই পদোন্নতির উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দুই স্তরেই বড় ধরনের পদোন্নতি দেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র আরও জানায়, সব প্রক্রিয়া শেষ করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামীকাল রোববার বিভাগীয় পদোন্নতির কমিটির (ডিপিসি) সভা বসছে। ঈদের আগেই ৩,২৫৪ জন সহকারী অধ্যাপক পদোন্নতির খুশির সংবাদ পেতে পারেন। আর ঈদের পরে প্রভাষকদের পদোন্নতি দেয়া হবে। এ সংখ্যাও প্রায় তিন হাজারের মতো। সবমিলে দুই স্তরে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি কর্মকর্তার পদোন্নতির আশা করছে শিক্ষা ক্যাডার পরিবার। আরও জানা গেছে, ওইদিন বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন পদোন্নতি কমিটির সভাপতি ও মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর সৈয়দ গোলাম ফারুক ভোরের ডাককে বলেন, আমরা চেষ্টা করছি অনেকটা ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে। তবে কত জনকে পদোন্নতি দেয়া হবে, তা তিনি বলতে রাজি হননি। যোগ্য বিবেচিত হওয়া প্রার্থীদের কেউ যাতে বাদ না পরে-সেটিই আমাদের দাবি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তবে সবকিছুই নির্ভর করছে বিভাগীয় পদোন্নতির কমিটির মিটিং এর উপর। তারা রোববারের মধ্যে ডিপিসি শেষ করলে খুব দ্রæতই পদায়নের আদেশ জারি হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি সূত্র জানায়, অন্য ক্যাডারে ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতি দেয়া হলেও শিক্ষা ক্যাডারে বিষয়ভিত্তিক পদোন্নতি দেয়া হয়। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস জ্যেষ্ঠতা বিধিমালা ১৯৮৩ অনুসারে সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতিযোগ্য সহযোগী অধ্যাপকদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সহযোগী অধ্যাপকদের বিষয়ভিত্তিক শুন্য পদের বিপরীতে পদোন্নতির জন্য সরকারি কলেজ ও সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজের সহকারী অধ্যাপকের তিন হাজার ৩০৩ জন কর্মকর্তার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এরমধ্যে তিন হাজার ২৫৪ জন পদোন্নতিযোগ্য। পদোন্নতি দিতে আদালতের কোন বিধি নিষেধ নেই। সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতিযোগ্য শিক্ষকের মধ্যে ৯৫ জন বেসরকারি থেকে আত্তীকৃত। আর বাকিরা সরসরি বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত। ২২ থেকে ২৬তম বিসিএস পর্যন্ত শিক্ষা ক্যাডারের সহকারী অধ্যাপক সবাইকে পদোন্নতির প্রস্তাব করেছে মাউশি। ২৬তম ব্যাচ পর্যন্ত সবাইকে পদোন্নতি দিতে সরকারকে অতিরিক্ত অর্থ গুণতে হবে না। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী প্রতি বছর ৫ শতাংশ ইনিক্রিমেন্ট পেয়ে বর্তমানে পঞ্চম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন তারা। এই সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজারের মতো। সর্বশেষ ২০১৮ সালে সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে ৬৩৪ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। এরপর পদে আর কোনো পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। তবে গত বছর অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছিল।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সদস্য সচিব ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) শাহেদুল খবির ভোরের ডাককে বলেন, কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের দাবিগুলো সময়মতো পূরণ করতে হবে। শিক্ষা ক্যাডার শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক নয়, ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি তাদের বেতন স্কেল আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছাতে হবে। অন্যথায় মানসম্মত শিক্ষাদান সম্ভব নয়। শিক্ষকদের দাবি হলো- যোগ্য হওয়ার সাথে সাথে পদোন্নতি-পদায়নের ব্যবস্থা করা। 

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের পর টানা তিন বছরে কোনো পদোন্নতি না থাকায় অনেকের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। শিক্ষা একটি বড় পরিবার। বড় পরিবারে এই ক্ষোভ তৈরি হওয়া যেমন কাম্য নয়, তেমনি তাদের দাবি-দাওয়ার ব্যাপারেও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।

জানা গেছে ২২তম ব্যাচের শিক্ষাক্যাডারের কর্মকর্তারা ১৭ বছর, ২৩ থেকে ২৬তম ব্যাচের কর্মকর্তারা দীর্ঘ ১৫ বছর চাকরি করে মাত্র এক বার পদোন্নতি পেয়েছেন। অথচ ২২ থেকে ২৬তম ব্যাচেরর কর্মকর্তাদের ফিডার পূর্ণ হওয়া সত্বেও তারা পদোন্নতি পাচ্ছেন না। এরইমধ্যে ২৬ ব্যাচের কর্মকর্তারা পঞ্চম গ্রেডের সমান স্কেলে বেতন ভাতা পাচ্ছেন। যে কারনে তাদের পদোন্নতি দিলেও সরকারকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যায় করতে হবে না। শুধু শিক্ষকদের পদ মর্যাদা বাড়বে। ২০০৮ সালে ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা উপসচিব (পঞ্চম গ্রেড) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তারাও নিয়মিত পদোন্নতি পেয়েছেন। অথচ একই ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্তরা এখনও প্রভাষক। তারা ১৩ বছর ধরে একই পদে কর্মরত আছেন। অন্য ক্যাডারে ব্যাচ ভিত্তিক পদোন্নতি দেওয়া হলেও শিক্ষা ক্যাডারে বিষয় ভিত্তিক পদোন্নতি দেওয়া হয়। এছাড়া নিয়মিত পদোন্নতি দেয়া হয় না। যে কারণে তারা বঞ্চিত হয়েছেন। নিয়মিত পদোন্নতি না হওয়ার কারণে পদোন্নতির জট সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। মাউশি প্রভাষকদের পদোন্নতির তালিকাও করে মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। ৩৩ তম ব্যাচ পর্যন্ত ২ হাজার ৫২৮জন প্রভাষককে পদোন্নতি দিতে মাউশি শিক্ষামন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক হলেন ২ হাজার ৪৩৭ আর আত্তীকৃত ৯১জন।

২৪ তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সভাপতি ও এনসিটিবির উপসচিব (কমন) সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান লিখন ভোরের ডাককে বলেন, ২০১২ সালে সহকারী অধ্যাপক হয়েছি। চাকরি বিধি অনুযায়ী তিন বছর ফিডার সার্ভিস পূরণ করে ১৫ সালে সহযোগী অধ্যাপক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছি। ২৪তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারের আমরা ২২শ জন নিয়োগ পেয়েছি। তাদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বিষয় ভিত্তিক ১৫০ জনের পদোন্নতি হয়েছে। ছয় বছর আগে পদোন্নতির যোগ্য হলেও বাকি ১৯৫০ জনের পদোন্নতি হয়নি।

মন্ত্রণালয় ও মাউশি সূত্র জানায়, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সহযোগী অধ্যাপক ও সমমানের পদে (জাতীয় বেতন স্কেল,২০১৫ অনুযায়ী ৪৩,০০০/–৬৯,৮৫০/)  যথাক্রমে মাউশি অধিদপ্তরে নয়টি, বিষয়ভিত্তিক ২,২৬০, অধ্যক্ষ/উপাধ্যক্ষ ৭১টিসহ মোট ২ হাজার ৩৪০টি পদ রয়েছে। বর্তমানে উল্লেখিত পদসমূহের মধ্যে প্রশাসনিক, অধ্যক্ষ/উপাধ্যক্ষ ও বিষয়ভিত্তিক পদসহ মোট ২৩৪০টি পদ পূরণকৃত। বাকি ৩৬৪টি শূন্যপদ রয়েছে। 

এ ছাড়া আগামী ৩০ জু  পর্যন্ত আরো ২০ জন পিআরএলে যাবেন। এসব পদ শুন্য ধরে ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ৬০৯টি পদ শূন্যসহ মোট ৯৯৩টি পদ শূন্য রয়েছে। সহযোগী অধ্যাপক/সমমানের উক্ত ২২৬০টি পদের ১০ শতাংশ হিসেবে ২২৬টি রিজার্ভ পদের মধ্যে ১২৮টি শূন্য রিজার্ভ পদের বিপরীতেও পদোন্নতি প্রদানের সুযোগ রয়েছে। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের প্রস্তাবিত সমন্বিত পদ সৃজনের ১২ হাজার ৪৭৯টি পদের মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক পদ রয়েছে ৩৩০৮টি। সব মিলিয়ে মাউশির প্রস্তাব অনুযায়ী পদোন্নতি দিতে কোন সমস্যা নেই। শিক্ষা ক্যাডারের বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারা জানান, বিষয়ভিত্তিক পদোন্নতি দেয়ার কারণে এই ক্যাডারে পদোন্নতি প্রক্রিয়া খুব ধীর। কর্মকর্তাদের দাবি, এ ক্যাডারেও ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতি চালু হোক। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে বর্তমানে ১৫ হাজার ৬৩৪ কর্মকর্তা কর্মরত। এই ক্যাডারে মোট পদ ১৭ হাজারের বেশি। এর মধ্যে প্রায় দুই হাজার ৮৯২টি পদ বর্তমানে। এই ক্যাডারে নতুন করে আরো প্রায় দুই হাজার পদ সৃজনের প্রক্রিয়া চলছে।

সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির যোগ্যতায় যা আছে :  

সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে সহকারী অধ্যাপক পদে চাকরির অভিজ্ঞতা নূন্যতম তিন বছর হতে হবে। প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে চাকরিতে নূন্যতম ১০ বছর পূর্ণ হওয়া; ১০ শতাংশ কোটায় সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপকদের ক্ষেত্রেও সহকারী অধ্যাপক পদে চাকরির অভিজ্ঞতা নূন্যতম তিন বছর পূর্ণ হওয়া এবং জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী সরকারি ১ম শ্রেণির চাকরিকাল ১০ বছর পূর্ণ হওয়া। এর বাইরে এসিআর প্রতিবেদনে প্রমিতমানে উত্তীর্ণ এবং বিরূপ মন্তব্য না থাকা। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পদোন্নতি পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৭ অনুযায়ী কোন কর্মকর্তা পদোন্নতি পরীক্ষা অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হলে চাকরির মেয়াদ ১৫ বছর পূর্তিতে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি যোগ্য হবেন; সহকারী অধ্যাপক হিসেবে ৫ বছর ফিডার পদ পূর্ণ হলে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির যোগ্য হবেন। তবে এরপর তিনি আর কোনো পদোন্নতি পাবেন না। 

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস জ্যেষ্ঠতা বিধিমালা ১৯৮৩ অনুযায়ী সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতিযোগ্য সহযোগী অধ্যাপকগণের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে মাউশির কর্মকর্তারা দাবি করেছেন। সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রদানের লক্ষ্যে গত বছরের ২০ ফেব্রæয়ারি জ্যেষ্ঠতার খসড়া তালিকা মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। প্রাপ্ত তালিকায় আপত্তিগুলো বিবেচনায় নিয়ে তথ্য সংশোধন করে গত বছরের ১৪ অক্টোবর দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করা হয়। পরবর্তিতে প্রাপ্ত আপত্তিগুলো সংশোধন করে জ্যেষ্ঠতা তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বিনিউজবিডি.ডটকম

আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে সংবাদ পরিবেশনে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নিয়ে “বিনিউজবিডি.ডটকম” বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা, উপজেলা, গ্রামে-গঞ্জে ঘটে যাওয়া দৈনন্দিন ঘটনাবলী যা মানুষের দৃষ্টি ও উপলব্ধিতে নাড়া দেয় এরূপ ঘটনা যেমন, শিক্ষা,স্বাস্থ্য, পরিবেশ, সামাজিক উন্নয়ন, অপরাধ, দুর্ঘটনা ও অন্যান্য যে কোন আলোচিত বিষয়ের দৃষ্টি নন্দন তথ্য চিত্রসহ সংবাদ পাঠিয়ে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে আত্ম প্রকাশ করুন।

প্রতি মুহুর্তের খবর মুহুর্তেই পাঠকের মাঝে পৌছে দেয়ার লক্ষ্য কাজ করে যাচ্ছে একঝাঁক সাহসী তরুণ সংবাদ কর্মী। এরই ধারাবাহিকতায় স্বল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ সহ দেশের বাহিরে বিভিন্ন দেশে সংবাদদাতা নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।

বিদেশের মাটিতে অবস্থানরত লেখা-লেখিতে আগ্রহী যে কোনো বাংলাদেশীও প্রবাসী নাগরিক “বিনিউজবিডি.ডটকম” এর সংবাদদাতা/প্রতিনিধি হিসেবে আবেদন করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *